ইউক্রেন-রাশিয়া বা ইরান-ইজরায়েলের যুদ্ধের খবরের আড়ালে আজ আমরা জানব ভারতের এক সত্যিকারের নায়কের কথা। জানব সেই কম্যান্ডো সম্পর্কে, যিনি নিজের জীবন বাজি রেখে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রাণ বাঁচিয়েছিলেন এবং একটি বড় ধরণের নাশকতামূলক হামলা রুখে দিয়েছিলেন।
১. কে এই মেজর রাকেশ টিআর? [00:54 ]
মেজর রাকেশ টিআর হলেন ভারতীয় সেনাবাহিনীর ৯ম ব্যাটালিয়ন প্যারাসুট রেজিমেন্ট (Special Forces)-এর একজন সুদক্ষ কম্যান্ডো। ২০২৩ সালে রাষ্ট্রপতি ভবনে তাকে তার অসামান্য বীরত্বের জন্য ‘গ্যালান্ট্রি অ্যাওয়ার্ড’ বা শৌর্য পুরস্কারে ভূষিত করা হয়।
২. জম্মুর সেই ভয়াবহ দিন: ২৪ এপ্রিল ২০২২ [01:04 ]
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জম্মুতে একটি জনসভায় ভাষণ দেওয়ার জন্য রওনা হওয়ার কথা ছিল। ঠিক সেই মুহূর্তেই গোয়েন্দা সূত্রে খবর আসে যে, জঙ্গিরা একটি বড় ধরণের ফিদায়েঁ বা আত্মঘাতী হামলার পরিকল্পনা করেছে। খবরের গুরুত্ব বুঝে মেজর রাকেশ তার দল নিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান।
৩. ড্রোন নজরদারি ও জঙ্গিদের ঘেরাও [02:00 ]
ঘটনাস্থলে পৌঁছেই মেজর রাকেশ অত্যন্ত বুদ্ধিমত্তার সাথে ড্রোনের মাধ্যমে আকাশপথে নজরদারি শুরু করেন। তিনি দ্রুত জঙ্গিদের অবস্থান শনাক্ত করেন এবং তাদের চারিদিক থেকে ঘিরে ফেলেন। জঙ্গিরা ঘেরাও বুঝতে পেরে অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে অতর্কিত গুলি চালাতে শুরু করে।
৪. নির্ভীক অপারেশন ও ফিদায়েঁ হামলা নস্যাৎ [02:15 ]
গুলি বিনিময়ের মাঝেই নিজের প্রাণের পরোয়া না করে মেজর রাকেশ সামনের দিকে এগিয়ে যান। অত্যন্ত নিখুঁত নিশানায় তিনি একজন জঙ্গিকে খতম করেন এবং বাকিদের পিছু হটতে বাধ্য করেন। তার এই বীরত্বপূর্ণ পদক্ষেপের কারণেই প্রধানমন্ত্রীর ওপর হতে যাওয়া সেই ভয়াবহ হামলাটি ব্যর্থ হয়।
৫. প্রধানমন্ত্রীর সামনে সম্মাননা [01:35 ]
রাষ্ট্রপতি ভবনের সেই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নিজে উপস্থিত ছিলেন। যখন মেজর রাকেশের সাহসিকতার কাহিনী বর্ণনা করা হচ্ছিল, তখন প্রধানমন্ত্রীসহ উপস্থিত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং রাজনাথ সিংয়ের চোখেমুখেও এই বীরের প্রতি শ্রদ্ধা ফুটে উঠেছিল।
উপসংহার: মেজর রাকেশ টিআর-এর মতো যোদ্ধাদের কারণেই আমরা আজ নিশ্চিন্তে ঘুমাতে পারি। তার এই অসীম সাহস এবং রণকৌশল আগামী প্রজন্মের জন্য এক বড় অনুপ্রেরণা।
ভিডিওটি সরাসরি দেখুন:

0 মন্তব্যসমূহ